বুড়োর নাম তোরাব আলি। হাড় জিরজিরে, মাথায় কদম ছাট সফেদ চুল, থুতনিটা যেন দুপাশ থেকে চেপে বসেছে চোয়াল ঢেকে। চোখে সে তেজ নেই আর। নিমতলির একটা পুরনো যন্ত্রের দোকানে একের পর ইলক্ট্রনিক্স যন্ত্র ভেঙ্গে যাচ্ছে। সকাল নয়টায় বসে, একটানা রাত নয়টা পর্যন্ত চলে ও কাজ। কাজটা খুব সোজা। ঘড়ি, কম্পুটার, ভিসিআর, টিভি আর নানারকম যন্ত্রপাতি কেজি দরে কিনে আনে দোকানের মালিক আকবর মিঞার ছোট শালা এহতেশাম। সেগুলো থেকে প্রয়োজনিয় জিনিস ভেঙ্গে বের করা। এই মহল্লায় এই কাজটা চলে বহুত। ঠুক ঠুক আওয়াজ শোনা যায় সকাল-সন্ধ্যা। একটু বিরাম নেই। ১৭ বছর হল আকবর মিঞার এই দোকানে কাজ জুটেছে। ঈদ-মহররম ছাড়া তেমন দিন যায়নি অলস।
দেশ স্বাধিন হবার সময় বুড়োর বয়স আঠারো। না ঐ মিলিটারির জুলুমের কথা না, তারো আগে দেশ স্বাধিন হয়। সাহেবরা হঠাৎ একদিন সব গুটিয়ে নিজ মহলে ফেরে। ভারত ভেঙ্গে দু-টুকরো। পাকিস্তান নাম নেয় দেশ।
দেশ স্বাধিন হবার সময় বুড়োর বয়স আঠারো। না ঐ মিলিটারির জুলুমের কথা না, তারো আগে দেশ স্বাধিন হয়। সাহেবরা হঠাৎ একদিন সব গুটিয়ে নিজ মহলে ফেরে। ভারত ভেঙ্গে দু-টুকরো। পাকিস্তান নাম নেয় দেশ।




