আমার অসম্ভব প্রিয় রজনীতিবিদ এবং ব্যাক্তিত্ব হল বঙ্গবন্ধু। এবং তাঁর নাম আসলে সবার আগে স্বাধিনতা, আর সাতই মার্চের ভাষণ।
একটা বকুল গাছ আছে। সুবাস ছড়ায়। সে সুবাস যখন প্রাণে হানে, তখন যে হাহাকার তৈরী হয়, কীবোর্ড ছুঁয়ে সেসব জমা করে রেখে দেই এখানটায়।
বৃহস্পতিবার, ১০ মার্চ, ২০১৬
রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
মেকু কাহিনীঃ একটা বই এবং একটা ছবি
মুহম্মদ জাফর ইকবাল যেভাবে লিখেন, তাতে সবাই মুগ্ধ হয়। তার বর্ণনাভঙ্গী, কিংবা বচনভঙ্গী আমাদের সবার অসম্ভব ভাল লাগে। তেমনই ছিল বইটা। খুব মজার একটা বই ছিল এই মেকু কাহিনী। প্রতিটা বাক্য সুন্দর, এবং একদম পিচ্চি থেকে বড় যে কেউই এই শিশুতোষ বই পছন্দ করবে।
এটা নিয়ে একটা এনিমেশন মুভি হয়েছে। নামে মেকু কাহিনী, এবং সে গল্প থেকে করা হলেও অন্যান্য বিরক্তিকর মুভির মত মুভি। খুব আগ্রহ নিয়ে দেখতে বসে মনে হল, এর কোন প্রয়োজন নেই। গল্পের চৌম্বক জায়গাগুলো নেই, নেই সেই ভাষাটার সাবলীলতাও। আশাহত হয়েছি। খুব বেশিই আশাহত হয়েছি।
এটা নিয়ে একটা এনিমেশন মুভি হয়েছে। নামে মেকু কাহিনী, এবং সে গল্প থেকে করা হলেও অন্যান্য বিরক্তিকর মুভির মত মুভি। খুব আগ্রহ নিয়ে দেখতে বসে মনে হল, এর কোন প্রয়োজন নেই। গল্পের চৌম্বক জায়গাগুলো নেই, নেই সেই ভাষাটার সাবলীলতাও। আশাহত হয়েছি। খুব বেশিই আশাহত হয়েছি।
সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
'বিদায়' বোলো না
একটা অনুভূতি দিয়ে শুরু, সেটা রূপ নিল আশায়। আশাটা একটা ভাবনায় রূপ নিল,
এরপর একটা শব্দে পরিণত হল। এবং শব্দটা যখন অনেক গাঢ় হল, তখন সেটা কান্নায়
রূপ নিল। তুমি যখনই আমাকে ডাকবে, আমি ফিরে আসব। 'বিদায়' বলার কিছু নেই।
বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
সুপারস্টার ইটা ক্যারিণী এবং আমাদের রুবাব খান
ইটা ক্যারিনী আর তার জমজ বোনদের গল্প এখন সবাই জানি। ইটা ক্যারিনী হল ক্যারিনা মন্ডলীর একদম অনুজ্জল একটা তারা। খালি চোখে তো দেখা যাবেই না, মোটামুটি ভাল মানের টেলিস্কোপ দিয়ে দেখা যাবে। তাহলে একে নিয়ে সবার এত আগ্রহ কেন? আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথে একটামাত্র সুপারস্টার আছে। সেটা হল ইটা ক্যারিনী। গল্পের সুপারস্টার নয়, সত্যিকারের একমাত্র সুপারস্টার। এর ভর অনেক বেশি, হাজার গ্রহকে ধরে রাখতে পারবে এমন।
সোমবার, ১৮ মে, ২০১৫
ধ্রুব, সে কি পাইয়ের মতই ধ্রুব?
উত্তর মেরুর (north pole) দিকে তাকালেই আমরা পাই একটা তারা। ধ্রুবতারা। ওর অবস্থান সবসময়ই ধ্রুব। ‘পাই’ এর ব্যাপারে গল্প আছে, সে তার শারিরিক শিক্ষককে তিনমাস পর বিদেয় করে দিয়েছিল একটুও মোটাতাজা হতে না পেরে। ঠিক তেমনি আমাদের ধ্রুবতারা কত গাড়ি কোম্পানির নামে মামলা করেছে কে জানে?
মঙ্গলবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৩
তেজষ্ক্রিয়তা এবং মেরি কুরি
অনেকের ঘড়ির কাটা দেখা যায় অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে। ঘড়ির ব্যাটারি শেষ হয়ে যায়, নষ্টও হয়ে যায়। পরে থাকে কোথাও। কিন্তু ঘড়ির কাটার লাইট আর বন্ধ হয় না। ব্যাটারি ছাড়া এতদিন কিভাবে চলে? ওখানে থাকে রেডিয়াম। যা বছরের পর বছর এমন বিকিরণ করেই চলে। এটার নাম তেজষ্ক্রিয়তা। তেজষ্ক্রিয়তা শব্দটা শুনলেই জাপান দেশটার কথা মনে পরে যায়। ওই দেশটায় তেজষ্ক্রিয়তার ভয়াবহতা আমরা দ্বিতিয় বিশ্বযুদ্ধে দেখেছি। এরপর দুয়েক বছর আগেও দেখেছি।
ইউরেনিয়ামের তেজষ্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন হেনরি বেকরেল, ১৮৯৬ সালে। কিন্তু তিনি জানতেন না এটার কারন। আর এর পরের বছর এটা নিয়ে কাজ শুরু করেন মেরি কুরি।
তার জন্ম হয়েছিল ১৮৬৭ সালে পোল্যান্ডে। তখন পোল্যান্ড স্বাধিন ছিল না। রাশিয়া, অস্ট্রিয়া, এবং প্রুশিয়ার অধিনে ছিল। তিনি যেখানে জন্মেছিলেন (ওয়ারস) ছিল রাশিয়ার একটি প্রদেশ। তবে স্বাধিনতার জন্য সংগ্রাম চলছিল জোরেশোরেই। তাই তাকে বেড়ে উঠতে হয়েছে অনেক প্রতিকুল পরিবেশে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)